Wednesday, 21 August 2024

"এডজাস্ট" মহামন্ত্র

 "ওরা"

কথা বলতে বলতে হাঁটা দেয় অন্যদিকে।
ইচ্ছে হলেই কথা শুরু করে দেয় যার-তার সাথে। যে কোনো টপিক। যা হোক ভাষা।
যেটাতে প্রতিরোধ পায়, সেটাতেই আগ্রহ জন্মায়।
সামনে আলুভাজা দেখলেই ঝাঁপিয়ে পরে। সে প্লেট-হাত পরিচিত হোক বা একেবারেই অজ্ঞাত। খিদে পেলেই গপাগপ।
"কি-কি-খেতে-নেই" সে লিস্টটা তাদের ডাটাবেসে নেই। পটাপট ব্যাঙ-টিকটিকি-আরশোলা ধরে কে-এফ-সি-র বার্গার ভেবে ফেলে।
কখন এক পাত্র জলে হাত ঝাপ্টে মজা। কখন সেই জল দেখেই কান্না।
কথা নেই বার্তা নেই, হঠাৎ উল্টে পরে সবার সামনে, হঠাৎ পাল্টি খায়।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হলো, জামা-কাপড় ছাড়াই বেরিয়ে পরে রাস্তায়। প্রতিবেশী কাকিমার ভাষায় "একটা সুতো অব্দি নেই গায়ে"। (একটা সুতো থাকলেই কি তফাৎ কিছু হতো?)
"ওরা" মঙ্গোলিয়ার আদিবাসীরা।
"ওরা" কলকাতার রাস্তাতেও ঘোরে। আপনারা ওদের পাগল বলেন।
"ওরা" আপনার বাড়িতেও আছে। আপনারা ওদের শিশু বলেন।
মানে বুঝতেই পারছেন হে হে আপনি নিজেও এরকমই ছিলেন, ওই যখন সবে সবে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছেন আপনি, তখন।
তারপর যা হয় আর কি। সুশীল-সমাজ -এর রাজ্যে যারা বন্দী, তারা মানে আপনারা সুশীল-সমাজ -এর শিক্ষা-দীক্ষায় (চাপে) ওদের থেকে অন্যরকম হয়ে ওঠেন।
কষ্ট হচ্ছে?
কি আর করবেন বলুন।
যাহোক তাহোক করার ভাগ্য কি সবার থাকে মশাই।
বন্দীদশা তেই তো দিব্বি এডজাস্ট হয়ে গেছেন মশাই। "এডজাস্ট" মহামন্ত্র। জপতে থাকুন।

Thursday, 11 July 2024

প্রথম ইনাম দেওয়ার অধিকার গৃহস্বামীর

 "প্রথম ইনাম দেওয়ার অধিকার গৃহস্বামীর"

ঠিক যেন ঠাকুরদাটি। দি ম্যান অফ দি ডিনার টেবিল।
শক্ত কিন্তু আবেগ, গম্ভীর কিন্তু শান্ত, কর্তৃত্ব কিন্তু ধৈর্য্য। বিশ্বম্ভর রায় কিন্তু রেহমাত।
"বুঝলে জয়ন্ত, অভাব দরজায় এসে দাঁড়ালে ভালোবাসা জানলা দিয়ে বেরিয়ে যায়।"
উনি? প্রেম-খুনী।
চিরকাল উত্তমকুমারকে সুন্দরী মেয়েদের থেকে দূরে রাখলেন। কখন খ্রিস্টান বলে, কখন বাঙাল বলে, কখন ফ্যামিলি স্ট্যাটাস বলে। যত্তসব।
"এই রোমান্টিক সারাউন্ডিংসে তোমার হয়তো মনে হচ্ছে, love is the most important thing in the world. কিন্তু কলকাতায় ফিরে গিয়ে তোমার যদি কখন মনে হয় প্রেমের চেয়ে সিকিউরিটি বড় বা সিকিউরিটি থেকে প্রেম গ্রো করতে পারে, তাহলে আমায় জানিও কেমন?"
উনি? কঠিন গাঁথুনি।
কিন্তু কে শোনে কার কথা। গাঁথুনিতে ফাটল ধরে।
"বটে"
পাঁচ সেকেন্ডের "বটে"তে তখন বুক ঢিপঢিপ। শেষে একটি মস্ত চিঠিতে আবেগের চৌহদ্দি ছাড়িয়ে যাওয়া একগাল মিষ্টি ক্ষমা চাওয়া।
এক সময় মনে হতো, ওই হুঁকো-বাবুর মসৃন চুমুই ছিল যড়যন্ত্রী। কখন যে কি মন্ত্রণা দিয়ে যেত থেকে থেকে ওনাকে। সম্ভব?
"এই দুনিয়ায় ভাই সবই হয়, সব সত্যি, সব সত্যি।"



Monday, 24 June 2024

পাড়ার নতুন রেকর্ড

 - এসেছো? এতো দেরি হলো? দাঁড়াও দাঁড়াও খুলছি দরজা। উফ ভেঙে ফেলবে নাকককইইই ..... এককিইইইই তোমার একই অবস্থা! চুল ওলোটপালোট। জামা ছিঁড়েও গেছে বুঝি! চোখে মুখে কালি। কি হলো তোমার?

- আরে সড়ো সড়ো বসতে দাও গিন্নী। উফফ একটু ফ্যান চালাও। জল দাও। শ্বাস নিতে দাও শ্বাস।

- এই নাও। বলো এবার। আমার বুক ঢিপঢিপ করছে এখনো। কি হয়েছে বলো তো তাড়াতাড়ি। মারামারি করেছো নাকি? এই বয়সে?

- আরে গিন্নী, যদি তোমার জন্য করতে হয়, জীবন দিয়ে দেবো, পরোয়া করবো না গিন্নী, পরোয়া করবো না। বয়স ভুলে আমি হয়ে উঠবো হিমশিখর হিমালয়। এখনো কুড়মুড়িয়ে দিতে পারি অপোনেন্টকে গিন্নী।

- ধুস তুমি কি যে বলো।

- আরে সত্যিই যে। ওবাবা এ আবার লজ্জা পায় দ্যাখো। হে হে

- ধুস ওসব ছাড়ো। বলো কি হয়েছে আজ তোমার। তুমি তো বললে বিশ্বাস বাড়ী যাবে আমাদের গাছের আম দিতে। যাওনি?

- আরে সেটাই তো। রুকুর চায়ের দোকানে যাওয়া হলে আম ওখানেই দিয়ে দিতাম। সেই কবে ওদের বাড়ী গেছি শেষ ভুলেই গেছি। বিশ্বাস বাড়ী পৌঁছে দেখি বাড়ীর সামনে তিনটে দরজা। প্রথমটাতে গেলাম। দেখলাম কলিং বেলের সামনে মাকড়সার জাল। বুদ্ধি আমার তুমি জানোই গিন্নী। বুঝলাম ওটা বহুদিন বন্ধ আছে। তাই চলে গেলাম দ্বিতীয়টাতে। যেতে গিয়ে ক্যাকটাস গাছের কাঁটাতে এমন গুঁতো খেলাম গিন্নী কি বলবো।

- আহা রে। তারপর

- কোনোরকমে দ্বিতীয় দরজাতে পৌঁছে দেখি কলিং বেল নেই। দরজাতে ধাক্কা মারতে যাবো, বড় মায়া হলো। দরজার অবস্থা ভারতের স্বাস্থ্যব্যবস্থার মতো। একটু চাপ পড়লেই মূর্ছা যাবে। তাই ওকে বিরক্ত না করে এগিয়ে যেতে গেলাম তৃতীয়র দিকে।

- ধুর বাবা। একটু তাড়াতড়ি বলো তো। এ যেন উপন্যাস শুনতে বসেছি।

- তৃতীয়তে যেতে গেলে দেখলাম অনেকটা ঘুরতে হবে। বুদ্ধি আমার তুমি জানোই গিন্নী। আমি পাঁচিল টপকালাম।

- হ্যাঁ মানে? এই বুড়ো বয়সে তুমি! হ্যাঁ? মানে?

- ওটা কোনো ফ্যাক্টর নয় গিন্নী। মুশকিল হলো আমি পাঁচিলে আঁটকে গেলাম যখন। কিছুতেই নামতে পারিনা। দূর থেকে এক ছোকরা "চোর" "চোর" বলে এমন চিৎকার .....

- ওমা গো ......

- আহা তুমি ওরকম করলে কি করে হবে। ব্যাপারটা সামলেই গেলো শেষ অব্দি। লোকজন জড়ো হয়ে মারতে যাবে, আমি চিৎকার করে বলছি,"কিছু নিতে নয়, দাদা দিতে এসেছি।" বিশ্বাসের ছোটো বৌ, হাতে আম দেখে লোকজনকে থামায়। দেখো কিরকম সব মিটে গেলো।

- মিটে গেলো? এটাকে মিটে যাওয়া বলে? লোকজন চোর বললো, মারতে গেলো, কাঁটার গুঁতো খেলে। এটা তোমার মিটে যাওয়া?

- মিটবে না? বিশ্বাসের ছোটো বৌ যার কিনা হাত থেকে একটা নকুলদানা পাওয়া যায় না। সে আমাকে বাড়িতে নিয়ে চা আর রসোগোল্লা খাওয়ালো, গিন্নী। রুকুর চা দোকান খুললে যখন এইটা ওদের বলবো, দেখবে আমাকে কিরকম ধন্য ধন্য করে। পাড়ার রেকর্ড গড়া গিন্নী এতো সোজা কথা নয়। তুমি একটু বরং বোরোলিন টা এগিয়ে দাও .....

ছেলের বিয়ে, বাবা কোথায় গেলো


সকাল থেকে বাড়িটা আনন্দমুখরিত, কলকোলাহলজাগরিত, উল্লাসবিচ্ছুরিত।

ছেলের বিয়ে বলে কথা।

পুরুতমশাই মন্ত্র পড়ছেন। ছেলের মুখে চাপা-হাসি মেকি-গাম্ভীর্য্য এর ককটেল মাখা। মাঝে মাঝেই ধুতির আড়ালে হোয়াটস্যাপ চেক করে নিচ্ছে। কিছু দরকারি বার্তা হবে। মা কুতিয়ে কাতিয়ে পুরুতমশাইকে সাহায্য করছেন। মাসি-পিসি-কাকী-জেঠি-শালী-বাড়িওয়ালি এনারা ব্যস্ততার অভিনয় ঝালিয়ে নিচ্ছেন। মেসো-পিসো-কাকা-জ্যাঠা-শালা-বাড়িওয়ালা এনারা সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে রাতের জলের আর্র্যাঞ্জমেন্ট টা বুঝে নিচ্ছেন। জল মানেই জীবন।

"ছেলের বাবাকে ডাকুন"

"এই ওর বাবা কোথায় গেলো"

"আরে হরেনবাবু গেলেন কোথায়"

"হরেনকাকু, বেরিয়েছে মনে হয়"

"তাহলে জ্যাঠাকেই বলুন বসতে ......"


গায়ে হলুদের গাড়ি রেডি। ফটোসেশন প্রায় শেষ।

"ছেলের বাবা কোথায়, উনি যাবেন তো"

"এই ওর বাবা কোথায় গেলো"

"আরে হরেনবাবু গেলেন কোথায়"

"হরেনকাকু, বেরিয়েছে মনে হয়"

"তাহলে জ্যাঠাকেই বলুন বসতে ......"


দুপুরের খাওয়া শেষ। ছেলের মা খাবেন না।

"ছেলের বাবা বসে পড়ুক। একটু পরেই তো বরের গাড়ি বেরোবে"

"এই ওর বাবা কোথায় গেলো"

"আরে হরেনবাবু গেলেন কোথায়"

"হরেনকাকু, বেরিয়েছে মনে হয়"

"তাহলে জ্যাঠাকেই বলুন বসতে ......"


বিকেলে বরের গাড়ি রেডি। এবার বেরোতেই হয়।

"ছেলের বাবা কোথায়? ছেলের সাথে তো উনিই বসবেন"

"আরে হরেনবাবু গেলেন কোথায়, ছেলের মা তো চিন্তায় প্রায় অজ্ঞান, ছেলে হোয়াটস্যাপে চেপে, কিছু জরুরি কাজ হবে হয়তো"

"তাহলে জ্যাঠাকেই বলুন বসতে ......"

"জ্যাঠার তো এসিডিটি। দুপুরে তিননম্বর সর্ষে ইলিশটা একেবারে ডাইরেক্ট ইসোফেগাসে হিট করাতে ....."

"তাহলে তো মুশকিল। আচ্ছা হরেন বাবুই বা কোথায়"

"হরেনকাকু, বেরিয়েছে মনে হয়"

"সেতো সকাল থেকেই শুনছি, বিয়েটা আটকে না যায়"

"ইয়ে মানে, কি বললে, বাবা কোথায়? দাড়াও তো কল করি।"

"এই যে খোকা। তোমার ঘাড় তুলতে বলতে সাহস পাচ্ছিলাম না বাবা। যেভাবে টুংটাং চালিয়ে যাচ্ছো সকাল থেকে। সকাল থেকেই তো তোমার বাবাকে কল করা হচ্ছে। কিছুই তো সাড়াশব্দ নেই। কোনো সিরিয়াস কিছু হলো কিনা বোঝা যাচ্ছে না। ফোন বেজে বেজে ..... আরে ঐতো ঐতো হরেনবাবু, কি মশাই কোথায় ছিলেন"

"আরে হরেনকাকু, এইতো। কোথায় ছিলে?"

"আরে হরেনজ্যাঠা ...."

"এইতো হরেনমামা ....."

"বৌদি, হরেনদা এইযে এসেছেন ....."

"আমার বলে চিন্তায় হাত-পা শুকিয়ে। সারাসকাল কোথায় ছিলে শুনি? মাছটাও তো রবিঠাকুরপো আনলো। তুমি কি করছিলে ...... কি হলো বলবে তো"

"হে হে। খেয়াল ছিল না। তাস এর আজ ফাইনাল ছিল। পরশু নকআউট হয়ে গিয়েছিলো ভুলেই গেছিলাম। মাছের দোকানে ভোলা মনে করলো। আরে না হলে মনোহরা আর সরভাজাটা মিস হয়ে যেত যে। তুমি তো জানোই, তাসের ফাইনালে আজ অব্দি কেউ আমাকে ...... এই ওকি ওকি হলো তোমাদের? এমন চোখমুখ কেন .... শরীর খারাপ লাগছে নাকি! মাথা ঘুরছে নাকি?"


Wednesday, 3 April 2024

মেডিটেশন ইস মাস্ট

 দাদু বললেন,"শোন, মেডিটেশন ইস মাস্ট। সম্পূর্ণভাবে নিজেকে একাত্ম করে, চোখ বন্ধ করে আধঘন্টা। ব্যাস, মোক্ষ।

আমি বললাম," সত্যি?"
দাদু বললেন,"তবে নয়তো কী? কী সব তোদের টেনশন-ফেনশন? অল উইল ভ্যানিশ, উধাও।"
আমি বললাম," তুমি করো দাদু?"
দাদু বললেন,"এভরি নাইট, রাত এগারোটা থেকে সাড়ে এগারোটা, চলে আসিস আজ রাতেই, দেখে যাবি। আমি তো তখন এ জগতেই থাকি না। একাত্ম টু দি অলমাইটি।কানের কাছে হানি সিং ফানি সিং কিছুই বাজিয়ে দেখিস। আমার কোনও নড়ন-চরন হবে না"
-----
ঠিক রাত এগারোটা দশ। সাথে মোবাইল। যদি সত্যিই পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। দেখি দাদু খাটের ওপর, মনে হয় শবাসনে মেডিটেশন করছেন।
দিদিমা বলেন,"কী রে এতো রাতে?"
আমি বললাম,"দাদু মেডিটেশন?"
দিদা বলেন,"ধুসসস ..... জমিয়ে ঘুমোচ্ছে, দেখছিস না নাক ডাকছে! রোজ সকালে উঠে আমাকে মেডিটেশনের গল্প বলে, আমি লুকিয়ে হেসে নি"
-----
আর কি, ঘুমোনোতেই তো বাঙালির মোক্ষ।

Tuesday, 19 March 2024

একটি সাঁওতালি গল্প

 একটি সাঁওতালি গল্প

---------------------------

রসিকবাবু স্টোরিটেলার। গল্প বলতে পারেন বেশ ভালো। তা তার কাছে সঠিক তথ্য থাকুক বা না থাকুক, একটি মুচমুচে রোববার বিকেলের চা-কাটলেট মার্কা গল্প নামিয়ে দেবেন মুহূর্তে।

সেদিন পপি জিজ্ঞেস করল,"মামা, ওদের নাম সাঁওতাল কেন?"
রসিকবাবু দুমিনিট সময় নিয়ে বলতে শুরু করলেন
-------------
ব্রাজিলের সাঁও-পাওলোতে ফুটবল শিখতে গেল বাংলার অনামী এক ছোট্ট গ্রামের ছেলে বুরু মুরমু। ফুটবল না শিখেই মুরমু, হুড়মুড় করে দেশে ফিরে এল। সবাইকে বলল, "উরা, ফুটবলটিকে বেদম পিটায় বটেক। উ আমাদের জন্যে লয় রে।" গ্রামের সবার খুব মন খারাপ। নতুন খেলা একটি শিখবে ভেবেছিল। সে আর হল না। একদিন বিকেলে মুরমু আনমনে ফুটবলের কিকটা প্র্যাক্টিস করছিল। আর তাই দেখে সব বলে উঠল,"ই তো মজার রে". সবাই তখন হাতে হাত ধরে সাঁও-পাওলোর কিক শিখল। সবাই মিলে এক সাথে কিক দিতে দিতে বেশ একটা ছন্দ এল, তাল এল। তালের নেশায় বুঁদ হয়ে যাওয়া আর সাঁও-পাওলো থেকে ফিরে আসা বুরু মুরমু এবং তার গ্রামের লোক সেদিন থেকে "সাঁও-তাল"।

P.S. সব চরিত্র কাল্পনিক।


ঝিঁঝিঁ

 - এই যে এতো ক্রিকেট ক্রিকেট করিস, কত রকম ক্রিকেট আছে জানিস? খোঁজ রাখিস?

- হ্যাঁ এই তো টেস্ট, ওডিআই .....

- তোদের দৌড় ও ওই অব্দি। হাউস ক্রিকেট জানিস? ফিল্ড ক্রিকেট?

- য়্যা? সে সব কি? ডোমেস্টিক বা ইন্টারন্যাশনাল মানে বিদেশ .....

- ধুর। ঘরের পিছনে জঙ্গলে।

- য়্যা?

- হ্যাঁ। ঝিঁঝি পোকা। ইংরিজিতে ক্রিকেট বলে। জানতিস?

- ঝিঁঝি?

- হে হে পোকা। এবার থেকে আর বলিস না কাউকে ক্রিকেটের সব জানিস। বুঝলি? উঠে পর আর আমাকে একটু ধর তো, উঠি। এতক্ষন একটানা বসে আছি তো, কিরকম অবশ অবশ লাগছে। পায়ে ক্রিকেট। হে হে বুঝলি না? পায়ে ঝিঁঝি। 😁