Showing posts with label কব্জি ডুবিয়ে কথা. Show all posts
Showing posts with label কব্জি ডুবিয়ে কথা. Show all posts

Friday, 30 November 2018

অশ্বিনীকুমার

রসিকবাবুর পেট ব্যাথা।
কখনো পেটের ডানদিকে, কখনো পেটের বাঁদিকে, আর কখনো একবারে সেন্টার অফ মাস।
সকাল থেকেই থেকে থেকে পেটে হাত দিয়ে,"ওরে ওরে ওরে" করে উঠছেন।
গিন্নী স্পাইডারম্যানের মতো হাত বাড়িয়ে এন্টাসিড সাপ্লাই দিচ্ছেন। বিকেলে "ওরে ওরে ওরে" র ভলিউম সঙ্কটজনক লেভেলে যেতেই পাড়ার ডাক্তারঠাকুরপোকে তলব দেওয়া হলো।

ডাক্তারঠাকুরপো - বুঝলে বৌদি, উল্টোপাল্টা খাওয়ার এতো বাজে স্বভাব রসিকদার। এইটে কন্ট্রোলে না আনলে তো সমস্যা হবেই। লোভ সামলানো কঠিন সাধন, সবাই কি পারে? নিশ্চয় গতকাল কিছু উল্টোপাল্টা খেয়েছিলো, ঠিক বলেছি বৌদি?

রসিকগিন্নী - না মানে  .....

ডাক্তারঠাকুরপো - ব্যাস ব্যাস আর বলতে হবে না। আপনার চোখের সামনে কি আর খেয়েছে। নিশ্চয় বাইরেই গপাগপ সাটিয়েছে। উফ বৌদি সিঙ্গারাটা কি ভালো বানিয়েছো গো। আর দুটো হবে?

রসিকগিন্নী - হ্যা নিশ্চয়, এইতো নাও। বলছি যে, সমস্যাটা কি বলতো? এরকমতো আগে কখনো দেখিনি। ইদানিং তো ডায়েট করছেন, স্যুপ আর ভেজিটেবল ব্যাস  .....

ডাক্তারঠাকুরপো - সেকি রসিকদা আর ডায়েট ! ধুস তুমি কি আর খেয়াল রাখছো আপিসে কি করছে? জানো না, মোড়েই বসন্ত কেবিন, এগোলেই পুঁটিরাম তারপর কত কি।

রসিকগিন্নী - এই ওকি, তুমি আঙ্গুল মটকাচ্চো কেন? তোমার আবার গালাগাল করার ইচ্ছে হলো নাকি? এরকম হলেই তো তুমি এরকম আঙ্গুল মটকাও। তোমার কি শরীরে খুব কষ্ট হচ্ছে? মাথা গরম করছো কেন? মানে ঠাকুরপোকে বলো না মাথা ঠান্ডা করে। উঠে বসবে? ও হ্যা বলছে মনে হয়। ও ঠাকুরপো একটু তুলে ধরো তো। কি বলছে বুঝতে পারছি না।

ধরাধরি করে রসিকবাবুকে তুলে ধরতেই রসিকবাবু কেটে কেটে সাড়ে চারটে গালাগাল দিলেন বজ্রনিনাদে। পঞ্চমটার বেলা গলাটা শক্তি হারিয়ে মিনমিন করে ফেলেছে। তাতে আরও রেগে বলতে শুরু করলেন, বেরো বাড়ি থেকে, আমার বাড়িতে এসে সিঙ্গারা গিলছে শুধু না, আমার পেট টিপে টিপে নাড়ি-ভুঁড়ি বের করে দেওয়ার জোগাড় করলো, তার ওপরে আমার নামে আবার উল্টোপাল্টা বকা!! বেরো বাড়ি থেকে এখুনি বেরো বাড়ি থেকে।

ডাক্তারঠাকুরপো - ঠিক আছে ঠিক আছে , ইয়ে এ এ এ এ এই যে রইলো ইয়ে তোমার সিঙ্গারা। খেলাম না পাঁচ নম্বরটা। এভাবে অপমান।

এই বলে পঞ্চম সিঙ্গারাটা ফুল ফোর্সে প্লেটে রাখতে যান ঠাকুরপো। সিঙ্গারাও অমনি ভার্টিকাল এক্সিসে স্পিন করে স্ট্রেইট রসিকবাবুর মুখে।
এহে এহে করে রসিকগিন্নী মুখ থেকে সিঙ্গারা বার করতেই দেখেন রসিকবাবুর মুখে হাসি।

রসিকগিন্নী - এএ ই কি হলো, লাগলো নাকি? হাসছো কেন? পাগল হলে নাকি?

রসিকবাবু- আরে দাঁড়াও দাঁড়াও, সিঙ্গারাটা মুখে ঠেসে ধরতো আবার।

রসিকগিন্নী - এ মানে?

রসিকবাবু- আরে ধরই না। আ আঃ আহা (গপ করে সিঙ্গারা গিলে) কি শান্তি কি শান্তি। আহা আহা কি শান্তি।

রসিকগিন্নী আর ঠাকুরপো চোখ বড়ো করে তাকিয়ে।

রসিকবাবু প্লেটে পরে থাকা ষষ্ঠ সিঙ্গারাটা মুখে তুলে নিয়ে বলতে লাগলেন, অবিচার করেছি এতদিন গিন্নী অবিচার। ডাক্তার আমাকে ক্ষমা করো। তুমি আজ আমাকে মহাপাপ করা থেকে বাঁচালে। সিঙ্গারার ওই টুপটুপে তেল আজ সাতদিন পর জিভে পড়তেই শরীরে কি শান্তি, কি স্বস্তি, কি আরাম। যেন জীবনের আসল মানে খুঁজে পাওয়া। এক বোধোদয়। জানলাম শরীরের প্রতি কি অন্যায় অবিচারটাই না করেছি। জিভ থেকে পেট সবাই অভিমান করছে। বুঝিনি। নেহাতই উপায় ছিল না তাই বিদ্রোহ করেছে। ডায়েট করেছি, স্যুপ খেয়েছি, সিদ্ধ সব্জি চিবিয়েছি। একের পর এক অন্যায়। কি পাপ কি পাপ। নাহ ডাক্তার আর নয়। গিন্নী তুমি অশ্বিনীকুমার হয়ে  ..... ইয়ে আরও কিছু সিঙ্গারা সাপ্লাই দিতে পারো? আভি ইসি ওয়াক্ত ? প্লিস?

Tuesday, 10 July 2018

মটন কষা

- আমার জিনিসগুলো কে উল্টোপাল্টা করলো মা?  ..... মা? ওমা উফফফ তুমি সারাদিন টিভিতে ওই দিদি নম্বর ওয়া   .....
- ক্কি ক্কি কি কিই বলছিস? চেঁচাচ্ছিস কেন? বাড়ি এসেই তোদের হম্বিতম্বি শুরু হয়ে যায়। তোর বাবা আসবে সেও  .....
- মা প্লিস আমার প্রশ্ন হলো, আমার ঘর এলোমেলো কেন করেছো? বইগুলো খাটের ওপর থেকে হাওয়া, জামাকাপড় গুলোও চেয়ার-এ নেই, জুতোগুলো তো দেখতেই পাচ্ছিনা। মা   ......
- খোকা  ......
- তুমি আমার কম্পিউটারও সুইচ অফ করে দিয়েছো!! আমার একটা মুভি ডাউনলোড হচ্ছিলো। একি আমার ব্যাটম্যান, ক্যাটওমেন কোথায় গেলো? মা তুমি সব ওলোটপালট করে দিয়েছো। মা  .....
- খোকা  ......
- মা তুমি শুনছো, আমি কি বলছি? আমার খিদে পেয়েছে। প্রচন্ড মাথা গরম হয়ে গেছে। তুমি আগে খেতে দাও। তারপর একটু এনার্জি গেইন করে আমি বলতে চাই যে চাইল্ড-রাইটস বলেও একটা ব্যাপার আছে। ষোলো বছর বয়সের বাচ্চারা অন্য দেশে কত কিছু করতে পারে। আমি কি আমার ঘরটুকুকে নিজের মতো করে গোছাতে পারবো না। এইটুকু  ..... যাইহোক মা, আমার যুক্তি গুলো শান দিতে খাবার প্রয়োজন। আমি কি খাবো? মা, তুমি কি শুনতে পাচ্ছো? কি খাবো? ওই ডাল আর আলু-কুমড়োর তরকারি?
- মটন কষা।
- ইয়াহু। কি বলছো মা? সিরিয়াসলি? যাক রাইটস নিয়ে কাল ফাইটস করবো। আপাতত পেট টাইটস করি। মা তাড়াতাড়ি দাও তো, একটু বাইটস নিয়ে পেটের ভিসুভিয়াসকে শান্ত করি। মা, ওমা   .....
- ক্কি ক্কি কি কিই বলছিস? চেঁচাচ্ছিস কেন? বাড়ি এসেই তোদের হম্বিতম্বি শুরু হয়ে যায়। তোর বাবা আসবে সেও  ..... দ্যাখ আনসারটা ঠিক দিলাম। এই রাউন্ডে আমি গেলে দিদি নম্বর এক আমিই  ..... যাক নিজের মতো চেঁচামেচি  না করে খেতে আয়। ডাল আর আলু-কুমড়োর তরকারি  .....

Wednesday, 16 May 2018

গড়িয়াহাট এর মোড়ে

গড়িয়াহাট এর মোড়ে রক্তারক্তি কাণ্ড। 
রসিকবাবুর হাঁটুতে চোট, দোকানদারের থুতনিতে।
ভিজিটর দের কেউ কেউ হালকা আহত, কারও পা, কারও হাত, কারও নাক, কারও পেট। বাকিরা তীব্র মানসিক চাপে। 
চারিদিক থেকে চাপা উত্তেজনা। গজগজ। খসখস। ফিসফাস। ফোঁস ফোঁস।
ট্র্যাফিক পুলিশ চলে এসেছেন। 
বুঝলেন যে, গরমই ছিল। ফুলকোও বটে। আলুও চন্দ্রমুখী। নুন - চিনি যথাযথ।
তবু .......
কিছুক্ষন ভেবে হঠাৎ মুচকি হাসি দিয়ে বললেন,
"আরে সমস্যা টা আগে বলবেন তো। আরে আমার বউ ভারী করিৎকর্মা। বাড়িতে লঙ্কা গাছ লাগিয়েছে। সারা বাড়িতে শুধু লঙ্কা আর লঙ্কা। দেখুন দেখি, ব্যাগে ও রয়ে আছে বেশ কয়েক টা। এতদিন বিরক্ত হতাম। এই আজ দেখি কাজেই লাগলো। সকাল ৬ টাতে কি আর এ জিনিস এখানে চাইলেই পাবেন? যা ডিমান্ড। এই যে নিন। (বলেই, পিঠের ব্যাগ থেকে বার করলেন একটি কচি সবুজ টসটসে কাঁচা লঙ্কা।) আরে নিন মশাই নিন, লজ্জা পাবেন ন ন না ..... এই একি এই কাড়াকাড়ি করবেন না .... এই একি.... কি হচ্ছেটা কি, একি লঙ্কা কান্ড!!"



Tuesday, 3 October 2017

জিভে "ধাপ্পা"

"সব পেলে নষ্ট জীবন" অনুপমদা আগেই বলেছেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা! আর তাছাড়া বাঙালিরা আবার কো-বাঙালিদের কথা বিশেষ মনে ধরেন না। পশ্চিমীদের কথাকেই ..... ওই আর কি আপ্তবাক্য বলে ধরেন। 
কাচের ভিতর ঠান্ডাঘরে ১০ খানা ইয়া লম্বা লম্বা চোঙ পাশাপাশি সাজানো। তাতে একটাতে হলুদ, নিচে ছোট্ট স্টিকারে লেখা "ম্যাংগো"। ও মা গো! পাশেরটা সাদা, "পিস্তাসিও"। জিও। তারপরে "ভ্যানিলা", "রাম-রেসিন", "চকলেট", "স্ট্রবেরি", "রাস্পবেরি" আরও সব মিলে লাল-নীল-হলুদের মেলা বসিয়েছে। জিভ আন-কন্ট্রোলেবল। কোনোরকমে ঢোক গিলে গিলে সামাল দেওয়া। চোখ বাঁ থেকে ডানে যায়। মন বলে "লুটে নে, লুটে নে"। দড়াম করে অমনি মাথা থ্র্যাটেনিং দেয়,"ওহে টোয়েন্টি টু পার্সেন্ট ফ্যাট"। ভ্যাট, এই হাতছানি ইগনোর করা যায় নাকি? একটা তো নেবোই। চোখ নাচতে নাচতে এগোতে লাগলো। থামলো একটা হালকা নির্ভেজাল অলিভ সবুজে। নিয়েই নেওয়া গেলো, এক স্কুপ। জিভকে বইতে দেওয়া গেলো "আমার খোলা হাওয়া"। মাথাকে রেস্ট দেওয়া গেলো "তিষ্ঠ ক্ষণকাল"। মন-প্রাণ এক করে চামচে অমৃতাংশ তুলে স্ট্রেইট জিভে চালান করা গেলো। চনমনে ঠান্ডা মুখের ভিতর কাবাডি কাবাডি খেলতে শুরু করেছে সবে .... আহা। হুট্ করে হঠাৎ কে যেন জিভে "ধাপ্পা" বলে দিলো। "ধাপ্পা আ আ আ আ"। এমন টেস্ট, কেউ যেন রেগে ঘাস সিদ্ধ খেতে দিয়েছে। সান্তনা হিসেবে সেই সিদ্ধতে মিষ্টি দিতে ভোলেনি যদিও। এহে একিরে। শেষে মিষ্টি ঘাস! দৌড়ে যাওয়া চোঙ-এর কাছে। দেখা গেলো হালকা নির্ভেজাল অলিভ সবুজটির স্টিকারটিতে লেখা "গ্রিন টি"! জিভ চিৎকার করে ওঠে,"হে পাপাত্মা, পাষন্ড, পাপিষ্ঠ, দুরাত্মা ..... "
"সব পেলে নষ্ট জীবন" অনুপমদা আগেই বলেছেন......
অত কিছু ছেড়ে গ্রিন টিতে চোখ আটকানোর পিছনে যড়যন্ত্রটা কার সেটা ভেবে কিছুতেই উত্তর পাওয়া যায়না। কাচুমাচু চুপ মেরে থাকাই সেফ। তবে জিভ কিন্তু গালাগাল দিয়েছে উচ্চ ভাষায়। সেইটে অগ্রাহ্য করলে চলবে না। জিভের এই শালীনতার পিছনে কি ওই গ্রিন টির হাত আছে?

গোলবাড়ি

এক প্লেট মটন কষা। এক প্লেট মটন কিমা। সাথে পরোটা। ব্যাস এইটুকুই। 
তাং মাত কারো। 
বাকি কিছু মনে নেই, মশাই। মনে থাকার কথাও নয়। মেডিটেশন -এ কতটা কন্সেন্ট্রেশন লাগে, সে যারা করেন তারা জানেন, বোঝেন। মনপ্রাণ এক করে চিন্তন-মননকে ভাসিয়ে দিয়ে তবেই তো আধ্যান। গাঢ় খয়রী রং আর তেলের ভাবাবেগের মাঝে সে আধ্যান তখন পিকে। আমির খানের পিকে নয়। ইংরিজি পিকে। মানে শীর্ষ-এ। ঘোর কাটল যখন সামনের প্লেটে লেগে তেলের বিন্দু। হাত ভার্টিক্যালি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আঙ্গুল চেটে ফিনিশিং টাচ চলছে তখন, কানে ভেসে এলো,"গোলবাড়ি কেন গোল নয়", "গোলবাড়ির কেন কোনো শাখা নেই", "গোলবাড়ি কেন এতো ঘিঞ্জি", "গোলবাড়িতে কেন এসি নেই", "গোলবাড়ির মেনুতে অপসন এতো কেন কম".
হে মহাজীবন .....
নাহ মানুষের দেখছি কন্সেন্ট্রেশনের খুব অভাব। মটন কষাকে সামনে পেয়েও ফোকাস করতে পারছে না। হৃদয়বিদারক এ ঘটনার আঘাত সামলাতে, প্রতিবাদ স্বরূপ কালো কাপড়, না না কাপড় নয়, ওই কালো রগরগে মটন কষাই ওই আর কি ইয়ে এক প্লেট অনলি, সাথে মটন কাটলেট আর মটন চাপ প্যাক করানো গেলো। এ শুধুমাত্র জাতির উদ্দেশ্যেই। প্রতিবাদের উদ্দেশ্যে।


পুজোর দিনগুলিতে নিরামিষ

- এহ!! পুজোর দিনগুলিতে মাংস!!
- আরে পিঁয়াজ-রসুন নেই তো!!
- ওহ নিরামিষ বুঝি। দাও তো পাঁচ পিস্। চর্বিওয়ালা দিও বুঝলে।

Thursday, 8 June 2017

আজকের বিশেষ খবর

আজকের বিশেষ খবর:
তারাতলার কাছে মাঝরাস্তায় বসে আছেন এক ভদ্রলোক। বাবুই পাখির মতো শুধু হাত দিয়ে কপালে আঘাত হানছেন। চারিদিকে লোক জড়ো হয়ে গেছে। বাস এগোতে পারছে না। পুলিশও বমকে গিয়েছে। অটো-ট্যাক্সি-সাইকেল সবাই অত্যন্ত বিরক্ত। তারাতলার ট্রাফিক আবার সমস্যার মুখে। আমাদের প্রতিনিধি পৌঁছে গিয়েছে ইতিমধ্যেই, প্রত্যেকবারের মতোই সবার প্রথম। জনগণের খবর নেয়, জনগণকে খবর দেয়।
- হ্যালো ঋক, হ্যালো, শুনতে পাচ্ছো, হ্যালো, কোনো যান্ত্রিক গোলমালে বোধহয় লাইনটি কেটে গেলো। আবারো জানাই, তারাতলার কাছে মাঝরাস্তায় বসে আছেন এক ভদ্রলোক। বাবুই পাখির মতো শুধু হাত দিয়ে কপালে আঘাত হানছেন.... হ্যালো ঋক, হ্যালো, শুনতে পাচ্ছো … আবারো কোনো যান্ত্রিক গোলমাল … হ্যালো … আবারো জানাই, তারাতলার কাছে মাঝরাস্তায় বসে আছেন …ওহ এই তো যোগাযোগ করা গিয়েছে ঋকের সাথে। ঋক, আমাদের জানাও কি অবস্থা ওখানকার।
- হ্যালো নবনীতা, হ্যালো হ্যালো নবনীতা
- হ্যালো ঋক, হ্যালো, আমরা শুনতে পাচ্ছি তুমি বোলো।
- ধুস মাইকটা লাগা ঠিক করে এদিকে। ইয়্যা ও ও হ্যালো নবনীতা … হ্যা শুনতে পাচ্ছো … হ্যা ভদ্রলোক এখনো মাথায় হাত দিয়ে, কিছুই বলছেন না। ক্যামেরা নিয়ে যাচ্ছি তার কাছে। এই যে শুনুন, আপনাকে সমস্ত বাংলা দেখছে, বলুন কি ব্যাপার আপনার। এভাবে কেন বসে আছেন? এই যে শুনছেন?
ভদ্রলোক (ক্যামেরার দিকে এগিয়ে এসে) - য়্যা? ক্যামেরা, সবাই দেখতে পাচ্ছে? চৌরাস্তার সবাই? আমাকে শুনতে পাচ্ছে?
- হ্যা নিশ্চয়। আপনি লাইভ। দর্শকদের জানান, সবাই উদগ্রীব হয়ে বসে আছে।
- ও, (ক্যামেরার দিকে আরও এগিয়ে) ওরে ওই হারামজাদা ঘনা, ওরে ওই ঘনা শুনতে পাচ্ছিস? ঘনেশ্বর ঘোষ? শুনতে পেয়েছিস? তুই পালিয়ে পাড় পাবি না রে, বুঝলি? তুই ব্যাকস্ট্যাব করলি রে হারামজাদা? আমার জীবনের একমাত্র খুশি তুই এভাবে ছিনিয়ে নিলি? একমাত্র খুশি। পাপ লাগবে তোর পাপ। তোর বিবেক কাঁদলো না রে ঘনা? তুই মানুষ? আমি কেস করবো। আমি সুপ্রিম কোর্ট অব্দি যাব। শেষ দেখে ছাড়বো।
- ও নবনীতা, দেখতেই পাচ্ছো। কিছু মারাত্মক হারিয়েছেন ভদ্রলোক। আচ্ছা আচ্ছা, আমাদের একটু খুলে বলুন প্লিস মিস্টার ঘনা কে? উনি কি আপনার পরিচিত? উনি কি করেছেন? চুরি? ডাকাতি? আপনার মেয়েকে নিয়ে পালিয়েছে? আপনার বৌয়ের প্রতি কুনজর? আপনাকে কি আঘাত করেছে? আপনি কি রুলিং পার্টির? মিস্টার ঘনা কি বিরোধী দলের.....
- আরে দাঁড়ান মশাই, কোথা থেকে কি টানছেন? আমার গিন্নির রান্নার স্বাদ বুঝলেন এক্কেবারে স্বর্গসুখ। আজ টিফিনে ছিল লুচি আর ইয়ে মটন। শালা ঘনার বাচ্চা সবকটা লুচি একেবারে থরেথরে সাজিয়ে রেখে সমস্ত মটন সাবাড় করে হাওয়া? এই দেখুন টিফিন বক্স, দেখে বোঝার উপায় নেই, যে এতে কখনও মটন ছিল বলে। নেহাৎ আমার কাছে প্রমাণ আছে, এই যে গিন্নির এসএমএস, "আজ মটন দিলাম আমি, অনেক অনেক হামি”.

- (ঢোক গিলতে গিলতে) য়্যা? ঠিক ঠিক আছে, নমস্কার, ক্যামেরায় ভ্যাবলার সাথে আমি ঋক, জনগণের খবর নেয়, জনগণকে খবর দেয়। 

Saturday, 29 April 2017

প্রসাদ

- মানে? ইয়ার্কি নাকি? টাকা দেবেন না মানে? মামদোবাজি?
- (আঙুলে লেগে থাকা মাংসের ঝোল চাটতে চাটতে) ইয়াম মানে... ইয়ে চেঁচামেচি করছেন কেন। এটা আপনার দোকান?
-হ্যা। না হলে বলছি কেন? টাকা বার করুন ফটাফট।
-আরে দাঁড়ান মশাই। আপনার ব্যবসা এটা?
-আলবাত
-শুনুন, ঠাকুমা বলতেন বুঝলেন (আঙুলে লেগে থাকা মাংসের ঝোল চাটতে চাটতে)
-মশাই ঝোল চাটা বন্ধ করুন। কি বলতেন আপনার ঠাকুমা?
-বলছি বলছি। ঠাকুমা বলতেন," মন্দিরে চেঁচামেচি করতে নেই। দেবতা অসন্তুষ্ট হয়।"
-অ। মানে? কি? হঠাৎ দেবতা-মন্দিরের প্রসঙ্গ কেন?
-ওই দেখুন। ধর্মে কর্মে একেবারেই মন নেই দেখছি। ওই যে পিছনে লিখে আটকে রেখেছেন, সে কি লোক দেখানো? লোক দেখানো ধর্ম আমার একদম পছন্দ নয় বুঝলেন। আজকাল যা সব.... যাক ওসব কোথায় কাজ নেই। আসল কথা হলো, আপনি ব্যবসায়ী, আপনার মন্দির এটা। আমি দেবতা। এবার আপনি নিশ্চয় জানতে চাইবেন, আমি সন্তুষ্ট কিনা। তা রান্না আমার খুব খারাপ লাগেনি। শুধু মাংসে একটু আজিনোমোটো দিলে জমে যেত। আর রুটি পাতলা করে বেল্লে বেশ একটু তুলতুলে ভাব আসতো। রুমালি রুটির অপশনটাও তো রাখতে পারেন।
-থামুন। ইয়ার্কি মারার জায়গা পাননি। আটত্রিশটা রুটি খেয়ে দুটো মাংসের প্লেট গিলে, ন্যাকামো হচ্ছে? তুলতুলে নয় তো গিললেন কি করে?
-আহা একেবারেই মন্দ হয়নি। কিন্তু ইম্প্রোভমেন্টের জায়গা রাখবেন না তা বলে? শুনুন রান্না একটা শিল্প। আর শিল্পে ইম্প্রোভমেন্ট না থাকলে স্যাচুরেশন এসে যাবে যে। তাহলেই দেবতা রুষ্ট হবেন। মানে কাস্টমার। আর শুনুন বাড়িতে পঁচিশটা খাই। তাই আটত্রিশটা ওয়াস টাফ। কিন্তু শুধুমাত্র আপনার মুখ চেয়ে আমি জোর করে ঠুসে ঠুসে খেলাম।
-জোর করে ঠুসে ঠুসে? আমার ছেলেগুলো দৌড়ে দৌড়ে যোগান দিতে দিতে পাগল হয়ে গেলো। আর আপনি কি ঢপের কথা বলছেন? পাগল আপনি?
-কেন, পাগলের কি আছে? আপনিই তো লিখে রেখেছেন? পরিশ্রম আমার পূজা। তা আমাকে কি আপনার এমন অমানুষ মনে হয় যে একজন মনখুলে মন্দিরে পূজা করতে চাইছে আর আমি দেখেও তা অদেখা করবো? একটু সাহায্য করবো না? তাই.....
-আরে মশাই। আপনি আমাদের পাগল করে দেবেন যে। ওইটাতো কাল বৌ এসে কোথা থেকে এনে লাগিয়ে গেছে। দেওয়ালের ওই জায়গাটা খোবলানো ছিল, ঐটাই চাপা দিতে … যাতে দেখতে ভালো লাগে তাই। শুনুন, এখন কাস্টমার আসার টাইম। ঝামেলা করবেন না। চুপচাপ দিয়ে দিন।
-হ্যা এই তো। একেবারে কড়কড়ে। 
- (হেসে) দিচ্ছেন? ব্বাবা, বকালেন বটে। দিন দিন। দিয়ে দিন।

-আরে কি যে বলেন, না দিয়ে যাই কখনো। এএএই এএএই ......... এই যে আমার হাত রইলো তোমার মাথায়। আর আমি বলছি, আমি খুব সন্তুষ্ঠ। তোমরা যে পরিপাটি করে পূজার আয়োজন করেছো। তাতে আমি খুব খুশি। ব্যাস প্রসাদ পেয়ে গেলে। চলি তাহলে। ওহ হ্যা বলছি যে, আজকাল কি সব সেলফি টেলফি হয়. তুলতে পারেন আমাকে নিয়ে। যদি টদি আপনাদের টাপনাদের কাজে টাজে লাগে টাগে। ওই হয়তো নেক্সট দেবতার সামনে রেফারেন্স হিসেবে … এই এএএই একি পড়ে গেলেন যে। ওরে বাবা একি পরম ভক্ত রে আমার, সাষ্টাঙ্গে টাস্ট্যাঙ্গে দরকার নেই রে পাগল। আমি এতেই খুশি রে। ওকি সাড়া নেই কেন..... কি হলো?

Tuesday, 25 April 2017

হাঁস ত্যাগ

দাদা- বুঝলে ভাই, হাঁস ত্যাগ করলাম

বৌদি ভক্ত ঠাকুরপো - সেকি রোস্টেড প্রিপারেশনটা তো মারাত্মক ছিলো, বৌদির হাতেই তো প্রথম খেলাম। বৌদি, দাদা কি পাগল হয়ে গেলেন নাকি।

বৌদি (কোমড়ে হাত দিয়ে ভুরু কুঁচকে দাদার দিকে শ্যেনদৃষ্টি দিয়ে)
(থতমত দাদা)- মানে আমি তো ফেসবুকএ যাস্ট  .....

বৌদি ভক্ত ঠাকুরপো- আবার ফেসবুকেও জানাচ্ছেন নাকি এসব। আরে বাবা প্রোটিনএর দিকটাও যদি দেখেন, তাতেও তো হাঁস এগিয়ে চিকেনের থেকে, বৌদি আপনিই বলুন তো। 

বৌদি (শ্যেনদৃষ্টি এখনও) - গতমাসে বুড়ির জন্মদিনের দিন যে বললে, হাঁস-আইটেমটা তোমার খাসা লেগেছে! তবে কি শুনছি এসব হ্যা?

বৌদি ভক্ত ঠাকুরপো - তবে। তাছাড়া আপনি না খেলে বৌদি কি আর শুধু নিজের জন্য রাঁধবে! তাছাড়া বৌদিরও তো প্রোটিন দরকার নাকি এই বয়সে। (বিড়বিড় করে) আর আমাদের জন্য!!!!

(এখনও থতমত দাদা)-কি যে হচ্ছে একেবারে ধরতে পারছি না যে ভাই। কি রাঁধবে ভাই?

বৌদি ভক্ত ঠাকুরপো -আরে ধুর বাবা, ওই যে বললেন হাঁস। ত্যাগ করলেন যে!

(এইবার ধাতস্ত দাদা)-না না হাঁস না হাঁস না। হাঁস ছাড়া যায়। ঐটা তো মানে সত্যিই 
তোমার বৌদির ওতে জুড়ি নেই। আমি তো হ্যাস ট্যাগএর কথা বলছিলাম। নতুন শিখলাম ফেসবুকে। 

বৌদি (লুকিয়ে মুচকি হেসে)- বুড়োর ভীমরতি যত্তসব।


বৌদি ভক্ত ঠাকুরপো - ও হরি। মশায় পুরো দিয়েছিলেন একেবারে টেনশনে ফেলে। বলছি কথা যখন উঠলোই, হবে নাকি কাল? নিয়ে আসবো নাকি দাদা আজ?

Friday, 14 April 2017

চো চো চোদ্দশ চব্বিশ।

বাংলা চোদ্দশ চব্বিশ।
বেশ একটা চো চো ব্যাপার, তাই না?
কি কি করবেন:
এই বছরটা চোঁ চোঁ করে কাটান।
চপ-চমচম-চা-চানাচুর-চিনি-চর্ব্যচোষ্য ছাড়া বাঙালি অচল। কুচোচিংড়ির বড়া, সাথে কুচোনো পিঁয়াজ, উফফ চমৎকার, চলবে।
চোঁয়া ঢেকুরটা আপ্রতিরোধ্য। অম্ল-প্রতিষেধক চিবিয়ে নেবেন।
আমের চোকলা চোয়ানো রস চোষা? অসমীচীন, একান্তে চলবে।
চোলাই? এহ!! চোপ!!
চোখ পাকানো, চোখ টেপা, চোখ টাটানো, চোখ ঘোরানো, চোখ রাঙ্গানো ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা আবশ্যিক। তবে চঞ্চল চোখাচুখি চলতে পারে। তা যেন চুলোচুলিতে পরিণত না হয়।
আড়চোখে এদিক ওদিক চাইতে গিয়ে চোট পাওয়ার সম্ভাবনা থেকেও, বিরত থাকুন।
যে হারে চড়চড় করে চারিদিকে চরম গরম, চোখে সর্ষেফুল দেখা অসম্ভব নয়।
চোপড়ানি বা চোটপাট বা চোপার মাত্রা চোদ্দশ চব্বিশ-এ বাড়তে পারে। তাতে ভয়ে কেঁচো হয়ে যাবেন না। চুপসে থাকুন।
চোয়াড়ে চোস্ত চোরচোট্টা-চিটিংবাজ চারিদিকে কৃত্রিম চেহারা নিয়ে চলে ফিরে বেড়াচ্ছে। তাদের চোয়াল ভেঙে দিতে মন চাইছে? উহু নিতান্তই চিপ। ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করবেননা।
চটপট কুলকুচি করে নিন।
ধার বাকি চোকান।
ভাঙাচোরা মন নিয়ে মনচোরের সাথে জুয়াচুরি খেলবেন না। ওতে নাকানিচোবানি খাওয়ার চান্স আছে।
মন খুলে বাঁচুন। ওটাই বাঁচোয়া।

Saturday, 17 December 2016

বিরিয়ানী--ঝুঁকি

বিরিয়ানীর দোকানে ঢুকে মাটন বিরিয়ানীর অর্ডারটা দিয়েই মনে প​ড়ল​, পকেটে ওনলি ওয়ান নোট তাও আবার পুরোনো পাঁচশটাকার! ড্যাম্!

-অর্ডারটা ক্যানসেল করব​? গালাগাল দেবে এত লোকের সামনে!

-চুপচাপ বেরিয়ে যাব, গালাগাল দেবে পিঁছনে! কর্মা বলেও তো কিছু আছে নাকি!

-খেয়ে নিয়ে তারপর বলব? যা হবে দেখা যাবে? নাঃ বাড়াবাড়ি হ​য়ে যাবে!

কি যে মুশকিলে পড়লাম! ঘাম ঝ​ড়ছে! বিরিয়ানী বলে কথা যতই হোক.
পাশেই ওয়েটারটা ঘুড়ছে!

"ওয়েটারদাদা, বলছি, মানে ইয়ে অর্ডারটা কি দেওয়া হ​য়ে গ্যাছে?"

"হ্যাঁ, দাদা"

"মানে ইয়ে বলছি দাদা, পাঁচশটাকা পুরোনো এই যে, এটাই মানে আছে"

"হ্যাঁ, দাদা, আমরা এখনো নিচ্ছি তো, প​রে দেবেন, খাবারটা খেয়ে নিন"


............চোখ ফেটে জল চলে আসছিল, মনে হল একে টুপ করে প্রনাম করে নি.....  

ভালোবাসার ক্লাইমেক্স

গার্লফ্রেন্ড (হাত জ​ড়িয়ে ধরে-গদগদ গলায়​): 
"চল না পিটার ক্যাটে যাই. ডিনার করি. চেলো কাবাব বেশ টেস্টি শুনেছি"


একইসম​য় ........

বাল্য (এবং চিরকাল্য) বন্ধুর বিরতিহীন হোয়াটসএপ মেসেজ: 
"রাতে পার্টিটা অন, টনি আর রাজাও এসে গ্যাছে. তাড়াতাড়ি আয়, মটন রেজালা, রুমালি রুটি সাথে"  

শীত কবিতা

শীতকালে বাঙালী কুম্ভকর্ণ​.

ছ​-মাসের ঘুম থেকে জেগে উঠে বলে,

" জাগিয়াছি আমি, পরাক্রমশীল, পৃথিবী করিব জ​য়,
লাগাও কষে মুর্গি-মটন, রগরগে ঝোলে নাহি ভয়.
নভেম্বর হইতে মার্চ মূলত গলাধ:করণ,
এপ্রিল হইতে, নীরস গ্রীষ্মের সহিত অভিযোজন.
অতএব লইয়া আইস ফুলকপির সিঙারা, নলেন​-গুড়,

বাঙালি রসনা শান্ত হউক দ্রুতবেগে, যুদ্ধজ​য় অত:পর"

Wednesday, 7 December 2016

ছ্যাঃ

বাঙালি ভুঁড়িতে হাত বুলিয়ে বলবে," বড্ড বাড়ছে", তবু মাটন ছাড়া বিরিয়ানী? ছ্যাঃ
বাঙালি ছানার জিলিপি মুখে পুড়ে বলবে,"সুগার চেক করালাম, ৪৬০" তবু বিজয়া সম্মিলনীতে ওনলি নোনতা? ছ্যাঃ
বাঙালি রাশভারী গলায় বলবে,"গসিপ মানুষকে পঙ্গু করে" তবু বিকেলে হাবলুর চা দোকানের বদলে ছেলেকে অঙ্ক করানো? ছ্যাঃ
বাঙালি স্ত্রীর এডভেন্চারে রাজি হ​য়ে বলবে,"পুজোতে এবার দার্জিলিং", তবু ফিরে এসে হাবলুর চা দোকানে বসে বলবে .... ছ্যাঃ

শীত-কথা 1


"শীত, বাঙালীর বিলাস" এ নিয়ে কোন দ্বিধা-তর্ক বাঙালী সোজামুখে মেনে নেবে না. এ বাঙালীগত অধিকার. এর মধ্যে শীতের সকাল আর তা যদি রবিবার হ​য়, একেবারে "সেরেনডিপিটাস্"!

"এহেন দিবস কাটাইতে" একটা জব্বর প্ল্যান না হলে বাঙালী নামে ইয়ে .....

যাই হোক প্ল্যানটা কিছুটা এইরকম:
প্রাতরাশ সারিতে হইবে ফ্লুরিজে, পিষ্টক সহিত,
হাটিতে হাটিতে পৌঁছিব নিজাম, কাঠি রোলে মোহিত.
ল্যাদ খাইয়া, মেট্রো কর্তৃক, অভিমুখে উত্তর কলিকাতা,
গোলবাড়ির কসা মাংসে, মধ্যাহ্নভোজ, সহকারে পরোটা.
জোড়াসাঁকোয় গুরুদেবকে প্রনাম করিয়া, মিত্র কাফে,
ব্রেনচপ, কবিরাজি গলাধ:করণ করিয়া, হৃত্স্পন্দন হাঁফে.
শান্ত করিতে তারে বারিধারা প্রয়োজন,
পুনরূজ্জীবন অর্জিতে অলিপাবে গমন.
দৈবক্রমে অকৃতদার আমি, দিলখুসার কাটলেট পকেটে,
নতুবা হৃদয় চূর্ণিত হইত, কাটলেট খণ্ডাংশের সহিতে.
মেজাজে,গোল্ডফ্লেক-প্র​য়োগ, নিদ্রাভিমুখী পশ্চাতে,
শির নিকট ছানার জিলিপি, স্বপ্ন সুন্দর সম্ভাব্য তাহাতে.


বিশেষ দ্রষ্টব্য****
দিস ইস ডান বাই এক্সপার্টস, ডু নট ট্রাই দিস এট হোম (বাঙালি-রক্তে সে ভ​য় নাই, শুধু এন্টাসিড পকেটে চাই)